সফলতার গল্পঃ ১১

image

মোসাঃ রুজিনা বেগম স্বামীঃ মোহাম্মদ হাশিম বেপারী গ্রামঃ মধ্য হোসেনপুর,পোঃ আশিকাটি,বাবুরহাট, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। ২০১৩ সালে রুজিনা বেগম পার্শবর্তী হাশিম বেপারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ব হন। তার এক ছেলে বয়স দুই বছর। তাদের সংসার একমাত্র স্বামীর আয়ের উপর নির্ভরশীল। তার স্বামীর আয়ের উৎস ছিল ভাড়ায় সিএনজি ট্যাক্্ির চালানো। তিনি মাসিক অথবা বাৎসরিক চুক্তিতে সিএনজি ট্যাক্সি চালিয়ে সংসার পরিচালনা করতেন কিন্ত চুক্তির টাকা দেয়ার পরে বাকী যে টাকা থাকত তা দিয়ে সংসার পরিচালনায় প্রতিদিন অনেক কষ্ট পেতে হত। ২০১৮সালের শেষের দিকে ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত জীবিকা চাঁদপুর - ২ প্রকল্পের কথা শুনে তিনি নবদিগন্ত তৃণমুল সংগঠনের সদস্য হন। প্রথমত ঃ তিনি ১৮.১২.১৮ তারিখে ২০০০০ (বিশ হাজার) টাকা বিনিয়োগ নিয়ে বাৎসরিক চুক্তিতে নেয়া সিএনজি ট্যাক্্ির টি মেরামত করেন এবং এই সিএনজি ট্রাক্সি- ই ছিল তাদের সংসার পরিচালনার আয়ের একমাত্র উৎস। গত ১৪.১০.২০১৯তারিখে তিনি দ্বিতীয় দফায় ৮০০০০ আশি হাজার টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করেন এবং নিজস্ব কিছু জমানো টাকা একত্র করে ২৫০০০০ (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা দিয়ে একটি পুরাতন সিএনজি ট্রাক্সি ক্রয় করেন। সিএনজি ট্রাক্সি চালিয়ে তার গড়ে দৈনিক ৮০০/= টাকা আয় হয়, যা দিয়ে তিনি তার সংসার সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে যাচ্ছেন এবং বিগত দিনের ঋণ গুলো পরিশোধ করে যাচ্ছেন। গত ০৮/০২/২০২২ তারিখে তিনি পুনরায় জি.আর.ও তহবিল থেকে ১,৫০,০০০(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বিনিয়োগ গ্রহন কনের এবং ২,০৫,০০০টাকা দিয়ে একটি সিএনজি ট্রাক্সি ক্রয় করেন। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে তিনি দুইটি সি.এন.জি ট্যাক্সির মালিক হয়ে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী ভাবতে শিখেছেন। । একটি নিজে চালনা করেন এবং অন্যটি দৈনিক ৬০০টাকা হিসাবে ভাড়া দেন। ভবিষ্যতে তিনি যাকাত গ্রহীতা থেকে যাকাত প্রদান কারী হিসাবে নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। দলীয় বিনিয়োগ ছাড়াও তিনি জীবিকা অফিস থেকে নিয়মিত বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ নিচ্ছেন। করোনা কালীন দুর্যোগের সময়ে চাল,ডাল,তেল,লবন,পিয়াজ,আলু,চিনি,সোলা এবং হাত ধোয়ার সাবান সহ খাবারের প্যাকেজ পেয়েছেন। এছাড়া ও করোনা কালীন সময়ে পরিবারের সকলের দুপুরের খাবার হিসাবে বিরিয়ানি দেয়া হয়েছে। সর্বশেষে তিনি চেয়ারম্যান স্যারের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলেন,আল্লাহ যেন স্যারকে নেক হায়াত দান করেন এবং বাবুরহাট এলাকার বাহিরের দরিদ্র মানুষের সেবা করার তৌফিক দান করেন, তা হলে ঔ সকল পরিবারগুলো আমাদেরমত সুদ মুক্ত হয়ে নিজস্ব ব্যবসা নিয়ে স্বাচ্ছন্দে জীবন যাপন করতে পারবেন।